ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. আইন আদালত
  2. আইনশৃঙ্খলা
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস ঐতিহ্য
  5. ইসলামী জীবন
  6. খেলাধুলা
  7. জাতীয়
  8. তথ্যপ্রযুক্তি
  9. রাজনীতি
  10. লাইফ স্টাইল
  11. শিক্ষাঙ্গন
  12. সারাদেশ
  13. সাহিত্য
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মধ্যনগরে মহিষখলা সরকারি জায়গায় নির্মাণাধীন ৬ স্থাপনা উচ্ছেদ

অনলাইন ডেস্ক
সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬ ১০:০৮ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

শফিকুল ইসলাম শফিক, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: 

সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়নের মহিষখলা মধ্যবাজারে সরকারি খাস জায়গা দখল করে অনুমোদন ছাড়া ঘর নির্মাণের অভিযোগে ছয় ব্যবসায়ীর নির্মাণাধীন স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) জনি রায়ের নির্দেশে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ সেপ্টেম্বর থেকে কালিপুর গ্রামের ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হোসেন মিয়া, একই গ্রামের লাল মিয়া, হোসেনপুর গ্রামের জামাল মিয়া, সাউদপাড়া গ্রামের নাসির মিয়া, বান্দ্রা গ্রামের সুজন মিয়া এবং রংপুর গ্রামের ওয়াসিম মিয়া মহিষখলা মধ্যবাজারের সরকারি খাস জায়গায় ঘর নির্মাণ শুরু করেন।

বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনের নজরে এলে সংশ্লিষ্টদের নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে তারা দিনের বেলায় নির্মাণকাজ বন্ধ রেখে রাতের আঁধারে কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বিষয়টি পুনরায় প্রশাসনের নজরে আসার পর বুধবার বিকেলে অভিযান চালিয়ে নির্মাণাধীন স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করা হয়।

এ বিষয়ে বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও মহিষখলা বাজারের ইজারাদার এবং মহিষখলা বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক মুক্তার হোসেন বলেন, “হঠাৎ করে বিনা নোটিশে, বাজার কমিটি এবং আমাদেরকে অবগত না করে এভাবে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা মোটেও ঠিক হয়নি। বাজারের একটি বিষয় নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানের সুযোগ ছিল। কিন্তু আমাদের কোনোভাবে অবগত না করে এভাবে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করায় আমরা বিষয়টিতে অসন্তুষ্ট। আমি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”

মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) জনি রায় বলেন, “সরকারি জায়গায় অনুমোদন ছাড়া নির্মাণ করা স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। সরকারি জায়গা দখল করে অনুমোদনহীনভাবে কোনো স্থাপনা নির্মাণের সুযোগ নেই। এ ধরনের নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এরপরও যদি কেউ সরকারি জায়গায় অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করেন, তাহলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারি সম্পত্তি রক্ষা এবং অবৈধ দখল প্রতিরোধে উপজেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”