ঢাকাশুক্রবার , ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. আইন আদালত
  2. আইনশৃঙ্খলা
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস ঐতিহ্য
  5. ইসলামী জীবন
  6. খেলাধুলা
  7. জাতীয়
  8. তথ্যপ্রযুক্তি
  9. রাজনীতি
  10. লাইফ স্টাইল
  11. শিক্ষাঙ্গন
  12. সারাদেশ
  13. সাহিত্য
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পাবলিক টয়লেট ভেঙে দলীয় কার্যালয় নির্মাণের অভিযোগ সুবর্ণচরে

অনলাইন ডেস্ক
সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬ ৪:০১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় সরকারি অর্থে নির্মিত একটি পাবলিক টয়লেট ভেঙে বিএনপির দলীয় অফিস স্থাপনের কিছু ছবি, ভিডিও পাওয়া গেছে।

উপজেলার ০৫ নম্বর চরজুবিলী ইউনিয়নের দক্ষিণ চরবাগ্যা গ্রামের ৫ নং ওয়ার্ডের দীঘি বাজার নামক স্থানে সরকারি অর্থায়নে নির্মিত টয়লেটটি ভেঙে বিএনপির দলীয় কার্যালয় অফিস স্থাপনের ব্যানার চোখে পড়ে।

স্থানীয় একাধিক এলাকাবাসী জানান, বাজারের ব্রিজসংলগ্ন বটগাছের সামনে প্রায় ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে দুই কক্ষবিশিষ্ট পাবলিক টয়লেটটি নির্মাণ করা হয়েছিলো। বাজারে আসা সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা এটি ব্যবহার করতেন জরুয়ত অনুযারী।

সাম্প্রতিক টয়লেটটি ভেঙে সেখানে দুটি ঘর নির্মাণ করে বিএনপির দলীয় কার্যালয় উল্লেখ করে সাইনবোর্ড টাঙানো হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ঐ স্থানে নোয়াখালী ৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শাহজাহানের ছবিযুক্ত সাইনবোর্ডসহ ঘরটি তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। দুটি ঘরই দলীয় কার্যালয়ের বোঝানোর জন্য সাইনবোর্ডটি দুই ঘরের মাঝে স্থাপন করা হয়।

নাম প্রকাশে স্থানীয় একাধিক ব্যবসায়ী জানান, টয়লেটটি ভেঙে ফেলায় বাজারে আগত নারী পুরুষ ও দোকানিরা জরুরী প্রয়োজনে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

তাদের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে সরকারি স্থাপনা ভেঙে জায়গাটি দখলের চেষ্টা করা হয়েছে। তা দৃশ্যমান। সরকারি খাস জায়গায় জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য নির্মিত স্থাপনা ভেঙে রাজনৈতিক কার্যালয় স্থাপনের ঘটনাকে তারা নিন্দনীয় ও দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেন।

এ ঘটনায় বিএনপির ৫ নং ওয়ার্ডের সাবেক কমিটির সহসভাপতি মো. কামাল ও বিএনপি নেতা মো. রাজিবের নাম স্থানীয়রা তুলে ধরেন।

ঘটনাটির বিষয়ে বিএনপি নেতা রাজিব এ প্রতিবেদকে জানান, ‘টয়লেট কামাল ভেঙেছে আমি সেই জায়গায় ঘর দিয়েছি। কিন্তু বিএনপির সাইনবোর্ড কে লাগিয়েছে তা আমি জানি না। তবে এখানে দলীয় কার্যক্রম এখনো চালু করা হয়নি।

এদিকে জায়গাটির দখল নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে ভিন্নমত রয়েছে। ব্যবসায়ী নেছার ঐ জায়গায় দীর্ঘদিন ধরে শাকসবজি চাষ করে আসছেন বলে জানান প্রতিবেদকে।

স্থানীয়দের কেউ কেউ আরও জানান, আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর সরকারি খাস জায়গাটি বিভিন্ন ব্যক্তি নিজেদের দখলে নেওয়ার চেষ্টা করছেন।

অন্যদিকে স্থানীয় একাধিক বিএনপি নেতা বিষয়টি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন প্রতিবেদকের নিকট।দলের নাম ব্যবহার করে সরকারি জায়গা দখল বা জনসাধারণের সুবিধা নষ্ট করলে দলের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী সরকারি টয়লেট ভাঙার বিষয়টি তদন্ত করে সরকারি সম্পত্তি রক্ষা, জনসাধারণের সুবিধা ফিরিয়ে দেওয়া এবং দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

চরজুবিলী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ হেলাল বলেন, ‘খোঁজ নিয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।’ তবে রিপোর্টটি প্রকাশের পূর্ব মহূর্ত পর্যন্ত বিএনপির পক্ষ থেকে কোন বার্তা আসেনি গণমাধ্যম কর্মীদের নিকট। যার ফলে অনেকে সন্দেহ করছেন ঘটনাটি দলের ভাইয়া গ্রুপের ইন্ধনে হতে পারে।