ঢাকাশনিবার , ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. আইন আদালত
  2. আইনশৃঙ্খলা
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস ঐতিহ্য
  5. ইসলামী জীবন
  6. খেলাধুলা
  7. জাতীয়
  8. তথ্যপ্রযুক্তি
  9. রাজনীতি
  10. লাইফ স্টাইল
  11. শিক্ষাঙ্গন
  12. সারাদেশ
  13. সাহিত্য
আজকের সর্বশেষ সবখবর

চকরিয়ার কাকারা পাহাড়তলীতে শান্তি ও সম্প্রীতির প্রত্যয়ে নাগরিক মতবিনিময়

অনলাইন ডেস্ক
সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬ ৩:২১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মোঃ আবদুল্লাহ (আল্-মামুন)

‘সংঘাত নয়, শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ি’এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার কাকারা ইউনিয়নের পাহাড়তলীতে নাগরিক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সামাজিক সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে সংলাপ ও পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় পূর্ব কাকারা পাহাড়তলী নূরানী একাডেমির হলরুমে পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ (পিএফজি)-এর আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। মাল্টি-স্টেকহোল্ডার ইনিশিয়েটিভ ফর পিস অ্যান্ড স্ট্যাবিলিটি (MIPS)-এর শান্তি ও স্থিতিশীলতাবিষয়ক উদ্যোগের অংশ হিসেবে আয়োজিত সভায় স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নাগরিকরা অংশ নেন ।

হাফেজ আরফাতউল্লার পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে সভার সূচনা হয়। বাংলাদেশ বেতারের সাবেক চকরিয়া উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক শাহ মো. জাহেদের সভাপতিত্বে এবং দি হাঙ্গার প্রজেক্টের কো-অর্ডিনেটর মাঈনুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য দেন কাকারা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাওলানা মোহাম্মদ আলী, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রশীদ, জাতীয় দৈনিক সমকালের চকরিয়া উপজেলা প্রতিনিধি প্রবিন সাংবাদিক এম আর মাহমুদ, বিএনপি নেতা মঈনুর রশীদ শামীম, তারেক আজিজ চৌধুরী, সাংবাদিক মোঃ আবদুল্লাহ (আল্-মামুন), মহিলাদল নেত্রী রশিদা বেগম মীরু, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি নূরুল হুদা রানা, পিএফজির চকরিয়া অ্যাম্বাসেডর শাহানা আক্তার, পিস-এর চকরওয়া এম্বেসেটর (রাজনীতিবিদ) শামসুল আলম, স্থানীয় শিক্ষক মাস্টার বাবুল, ইউপি সদস্য আজিজ মিয়া ও ডা. তৈয়বসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
বক্তারা বলেন, সমাজে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা ও সংলাপের কোনো বিকল্প নেই। মতপার্থক্য থাকতেই পারে ; তবে সেই মতপার্থক্য যেন বিভেদ কিংবা সংঘাতের জন্ম না দেয়, সেদিকে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। আলোচনার মাধ্যমে বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং পরস্পরের প্রতি আস্থা ও সম্মান বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা ।

সভায় আরও বলা হয়, একটি শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতিময় সমাজ গড়ে তোলার দায়িত্ব শুধু রাজনৈতিক বা সামাজিক নেতৃত্বের নয় ; বরং প্রত্যেক নাগরিকের সচেতনতা, দায়িত্বশীল আচরণ ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমেই স্থানীয় পর্যায়ে শান্তির সংস্কৃতি সুদৃঢ় করা সম্ভব।
মতবিনিময় সভায় স্থানীয় পর্যায়ে সামাজিক সম্প্রীতি জোরদার, পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং সম্ভাব্য বিরোধ সংলাপের মাধ্যমে নিরসনের বিষয়ে বিভিন্ন মতামত ও প্রস্তাব উঠে আসে।

বক্তারা আরো বলেন, অনলাইন জুয়া, মাদকের সাথে সম্পৃক্ত কারী ও ইভটিজিং রোধে প্রত্যেককে সচেতন ভাবে এগিয়ে আসার পাশাপাশি এ ব্যাপারে প্রশাসনকে সহযোগিতা করণির মাধ্যমে একটি সুন্দর সমাজ ও দেশ করতে আমরা সফল হব ।

অংশগ্রহণকারীরা প্রত্যাশা করেন, এমন নাগরিক উদ্যোগ স্থানীয় মানুষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, সহমর্মিতা ও সহাবস্থানের পরিবেশ আরও সুদৃঢ় করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।