ঢাকারবিবার , ২৩ আগস্ট ২০২৬
  1. আইন আদালত
  2. আইনশৃঙ্খলা
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস ঐতিহ্য
  5. ইসলামী জীবন
  6. খেলাধুলা
  7. জাতীয়
  8. তথ্যপ্রযুক্তি
  9. রাজনীতি
  10. লাইফ স্টাইল
  11. শিক্ষাঙ্গন
  12. সারাদেশ
  13. সাহিত্য
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শ্রীনগরে ‘স্বপ্নে পাওয়া’ গাছের শিকড় দিয়ে চিকিৎসার নামে প্রতারণার অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
আগস্ট ২৩, ২০২৬ ৫:১৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

আব্দুল মান্নান সিদ্দিকী, শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ):

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে ‘স্বপ্নে পাওয়া’ গাছের শিকড় দিয়ে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসার দাবি করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে এক কবিরাজের বিরুদ্ধে।

রোববার (২৩ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার ঢাকা-দোহার সড়কের জাহানাবাদ এলাকায় একটি অটোরিকশায় মাইকিং করে ওই শিকড় বিক্রি করতে দেখা যায়। মাইকে মনোমুগ্ধকর কণ্ঠে নানা ধরনের রোগ ভালো হওয়ার প্রচারণা শুনে গ্রামাঞ্চলের সরল-সহজ মানুষ সেখানে ভিড় করেন।

কবিরাজ আব্দুল আলী দাবি করেন, তিনি স্বপ্নের মাধ্যমে ওই গাছের শিকড় পেয়েছেন। তার দাবি, এই শিকড় ব্যবহার করলে শরীর ও মাথাব্যথা, বাতের ব্যথাসহ বিভিন্ন ধরনের রোগ ভালো হয়। এমনকি শিশুদের ঘন ঘন প্রস্রাব এবং নারীদের বিভিন্ন রোগের ক্ষেত্রেও এটি ‘মহৌষধ’ হিসেবে কাজ করে বলে তিনি প্রচার করেন।

এ সময় শিকড় কিনতে আসা বয়োজ্যেষ্ঠ আজিজ খান একটি শিকড় ক্রয় করেন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে শরীরব্যথায় ভুগছেন। এ পর্যন্ত অনেক চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েছেন এবং ওষুধও খেয়েছেন। তাতেও ভালো না হওয়ায় কবিরাজের কথা বিশ্বাস করে একটি শিকড় কিনেছেন। এখন এটি ব্যবহার করে দেখবেন কী হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এ ধরনের প্রচারণার মাধ্যমে অসহায় ও অসুস্থ মানুষকে আকৃষ্ট করে কথিত শিকড় বিক্রি করা হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষ প্রতারিত হওয়ার পাশাপাশি প্রকৃত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, ফুটপাত বা রাস্তার পাশে বসে কথিত কবিরাজদের নানা ধরনের চটকদার ও ভিত্তিহীন চিকিৎসার প্রচারণায় বিশ্বাস করে অর্থ ও সময় নষ্ট করা উচিত নয়। কোনো রোগে আক্রান্ত হলে নিবন্ধিত ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সঠিক রোগ নির্ণয় ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা গ্রহণ করা জরুরি।

স্বপ্নে পাওয়া কোনো গাছের শিকড় বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় কার্যকর—এমন দাবির বৈজ্ঞানিক ভিত্তি রয়েছে কি না, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।