দুপচাঁচিয়া (বগুড়া) প্রতিনিধি:
বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ ও রফাতুল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতালের উদ্যোগে দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দুপচাঁচিয়া পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।
সকাল ১০টার দিকে ক্যাম্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহরুখ খান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) তৌহিদুল ইসলাম, টিএমএসএসের সেক্টর প্রধান একরামুল হক, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকসহ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দুপচাঁচিয়া উপজেলার সাবেক সভাপতি আব্দুল হামিদ, পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট সাইফুর রহমান মিলু, সাধারণ সম্পাদক আখতারুজ্জামান তুহিন, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জাহেদুর রহমান কাজল, সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী দ্বিজেন্দ্রনাথ বসাক মন্টু, পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অসীম কুমার দাস, দুপচাঁচিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলাম ফারুক, সাধারণ সম্পাদক কে এম বেলাল, সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, যুবদল নেতা চুম্বক, জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের নেতৃবৃন্দ, আব্দুর রাজ্জাকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে মেডিসিন, চক্ষু, ফিজিক্যাল মেডিসিন ও রিহ্যাবিলিটেশন, ডেন্টাল, নাক-কান-গলা (ইএনটি), চর্ম ও যৌন রোগ, প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ (অবস অ্যান্ড গাইনি) এবং শিশু বিভাগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রদান করেন।
দূর-দূরান্ত থেকে বিভিন্ন বয়সী রোগীরা ক্যাম্পে এসে চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেন। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের বিনামূল্যে পরামর্শ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ওষুধ পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন তারা।
আয়োজকরা জানান, সুবিধাবঞ্চিত ও সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এ ধরনের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ ও রফাতুল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতাল দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের জন্য বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
এদিকে ক্যাম্প শেষে টিএমএসএসের সেক্টর প্রধান একরামুল হককে দুপচাঁচিয়া প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে প্রেসক্লাব কার্যালয়ে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এ সময় প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ টিএমএসএসের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

