ঢাকাবুধবার , ২৬ আগস্ট ২০২৬
  • অন্যান্য
  1. আইন আদালত
  2. আইনশৃঙ্খলা
  3. খেলাধুলা
  4. জাতীয়
  5. রাজনীতি
  6. শিক্ষাঙ্গন
  7. সারাদেশ

শরীয়তপুরে সাংবাদিক মারধরের অভিযোগ, সত্যতা মিললে ব্যবস্থা: রিজভী

অনলাইন ডেস্ক
আগস্ট ২৬, ২০২৬ ১১:১৭ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!



আবু আলম (রাকিব), শরীয়তপুর প্রতিনিধি:

শরীয়তপুরে বিএনপির সমাবেশে সাংবাদিকদের মারধরের অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

বুধবার (২৬ আগস্ট) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির যৌথসভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘আপনি প্রশ্ন করেছেন, সেটি আমি আমলে নিলাম। যদি এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এর আগে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে শরীয়তপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে তিন সাংবাদিক মারধরের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠে।

ভুক্তভোগী সাংবাদিকেরা হলেন নিউজ২৪ ও জাগো নিউজের শরীয়তপুর জেলা প্রতিনিধি বিধান মজুমদার, দৈনিক এদিনের জেলা প্রতিনিধি মো. বরকত উল্লাহ এবং দ্য ডেইলি স্টারের শরীয়তপুর ও মাদারীপুর প্রতিনিধি জাহিদ হাসান।

সাংবাদিকদের অভিযোগ, সমাবেশের ছবি ও ভিডিও ধারণের সময় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মীর সঙ্গে তাঁদের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে পৃথক ঘটনায় তাঁদের মারধর করা হয়। এ সময় জাহিদ হাসানের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া এবং তাঁর সাংবাদিক পরিচয়পত্র ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগও ওঠে।অন্যদিকে সাংবাদিক বরকত উল্লাহর বাম হাতের একটি আঙুলে গুরুতর আঘাত লাগে। পরে চিকিৎসক তাঁর আঙুলে ফ্র্যাকচার হয়েছে বলে জানান।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, এ ঘটনায় শরীয়তপুর জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আরিফুজ্জামান মোল্লা সাংবাদিকদের ‘তোমরা লেখবা, আমরা পিটাব’ বলে হুমকি দেন। তবে সাংবাদিকদের মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে আরিফুজ্জামান মোল্লা দাবি করেন, সাংবাদিকদের সঙ্গে শুধু ধাক্কাধাক্কি হয়েছে।

এ ঘটনায় শরীয়তপুর জেলা প্রেসক্লাব তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। পাশাপাশি হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

রিজভীর বক্তব্যের পর অভিযোগের তদন্ত ও সত্যতা যাচাইয়ের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিএনপির পক্ষ থেকে কী ধরনের সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়, এখন সেদিকেই নজর স্থানীয় সাংবাদিকদের।