মো. আনিছুর রহমান, দুপচাঁচিয়া (বগুড়া) প্রতিনিধি:
দীর্ঘ পথচলার ৫০ বছর পূর্ণ করে ৫১ বছরে পদার্পণ করেছে উত্তরাঞ্চলের বহুল পরিচিত সংবাদপত্র দৈনিক করতোয়া। প্রতিষ্ঠার পর থেকে নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে সংবাদ পরিবেশন, জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং মানুষের কথা তুলে ধরার ক্ষেত্রে পত্রিকাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।
এ উপলক্ষে দুপচাঁচিয়া উপজেলা সভাকক্ষে দৈনিক করতোয়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলা প্রতিনিধি গোলাম ফারুকের সভাপতিত্বে এবং মতিউর রহমান দেওয়ান পলাশের সঞ্চালনায় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুপচাঁচিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহরুখ খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল হামিদ, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আফসার আলী, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা, বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এবং সুধী সমাজের প্রতিনিধিরা।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন দুপচাঁচিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কে এম বেলালসহ প্রেসক্লাবের সদস্যবৃন্দ ও অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহরুখ খান বলেন, দীর্ঘ এই পথচলায় দৈনিক করতোয়া বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের পাশাপাশি উত্তরাঞ্চলের মানুষের সুখ-দুঃখ, সম্ভাবনা, সমস্যা ও উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরেছে। বিশেষ করে বগুড়াসহ উত্তরাঞ্চলের প্রত্যন্ত এলাকার সংবাদ জাতীয় পর্যায়ে পৌঁছে দিতে পত্রিকাটির উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে।
তিনি বলেন, ৫০ বছরের পথচলা কেবল একটি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের বিষয় নয়; এটি একটি সংবাদমাধ্যমের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, অর্জন ও মানুষের ভালোবাসার প্রতিফলন। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সংবাদপত্রের ধরনও বদলেছে। মুদ্রিত পত্রিকার পাশাপাশি ডিজিটাল মাধ্যমেও পাঠকের কাছে দ্রুত সংবাদ পৌঁছে দিতে গণমাধ্যমগুলোকে নতুন বাস্তবতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হচ্ছে।
দৈনিক করতোয়ার দীর্ঘ পথচলায় সাংবাদিক, সংবাদকর্মী, লেখক, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীদের অবদান রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পত্রিকাটি পাঠকের আস্থা অর্জন করে সামনে এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি পত্রিকাটির উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই মাহেন্দ্রক্ষণে দৈনিক করতোয়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলা প্রতিনিধি গোলাম ফারুক বলেন, প্রত্যাশা—সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের ধারা আরও শক্তিশালী হবে। মানুষের অধিকার, সমাজের অসংগতি, উন্নয়ন ও সম্ভাবনার কথা আরও সাহসিকতার সঙ্গে তুলে ধরবে পত্রিকাটি। একই সঙ্গে আধুনিক ডিজিটাল সাংবাদিকতার সঙ্গে সমন্বয় করে নতুন প্রজন্মের পাঠকদের কাছেও আরও বেশি গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠবে—এটাই প্রত্যাশা।

