ঢাকাবৃহস্পতিবার , ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. আইন আদালত
  2. আইনশৃঙ্খলা
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস ঐতিহ্য
  5. ইসলামী জীবন
  6. খেলাধুলা
  7. জাতীয়
  8. তথ্যপ্রযুক্তি
  9. রাজনীতি
  10. লাইফ স্টাইল
  11. শিক্ষাঙ্গন
  12. সারাদেশ
  13. সাহিত্য
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সুরাজপুরে বসতভিটা দখলের অভিযোগ ‘বানোয়াট’ দাবি

অনলাইন ডেস্ক
সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ ১২:১৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মো. আব্দুল্লাহ (আল-মামুন):

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সুরাজপুরে বসতভিটা জবরদখল, হামলা, ভাঙচুর ও চাঁদা দাবির অভিযোগকে ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে ঘটনাস্থলে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় মো. সাগর, পিতা মুসলিম উদ্দিনসহ স্থানীয়রা প্রকাশিত ওই অভিযোগের প্রতিবাদ জানান।

প্রতিবাদকারীদের দাবি, ৮ সেপ্টেম্বর দুপুরে ঘটনাস্থলে কথিত জবরদখল, হামলা কিংবা ভাঙচুরের কোনো ঘটনা ঘটেনি। তাদের ভাষ্য, জমির প্রকৃত মালিক নিজ জায়গায় কাজ করতে গেলে কয়েকজন ব্যক্তি তাতে বাধা দেন। পরে ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে জবরদখল, হামলা ও চাঁদাবাজির অভিযোগ করা হয়েছে।

মো. সাগর দাবি করেন, দীর্ঘদিনের জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে একটি পক্ষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ঘটনাটিকে ‘হামলা ও দখল’ হিসেবে উপস্থাপন করছে। তার মতে, জমির মালিকানা নির্ধারণে দলিল, খতিয়ান, নামজারি ও অন্যান্য আইনগত নথি রয়েছে। এসব নথি যাচাই না করে শুধু একপক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতে গুরুতর অভিযোগ প্রকাশ করা কতটা যুক্তিসংগত, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।

প্রতিবাদকারীদের ভাষ্য, বিএনপি নেতাদের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা, ভাঙচুর ও চাঁদা দাবির যে অভিযোগ করা হয়েছে, তার সঙ্গে তারা যে ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছেন তার মিল নেই। তাদের দাবি, নিজ জায়গায় স্বাভাবিক কাজের ঘটনাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ‘জবরদখল’ হিসেবে প্রচার করে সামাজিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করা হয়েছে।

অন্যদিকে, মো. সাগর পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, রাকিবুল হাসান নাফিউ ওরফে রাকিব, মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে পটল, হেফাজতুর রহমান সিমুল ও সিফাতের নেতৃত্বে তাদের জায়গা দখলের চেষ্টা এবং কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

তবে এই পাল্টা অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

প্রতিবাদ সভায় স্থানীয়রা প্রশ্ন তোলেন—জমি কার, দখল কার এবং বৈধ মালিক কে, তা কি শুধু অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা সম্ভব, নাকি দলিলপত্র যাচাই ও সরেজমিন তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য নির্ধারণ করা উচিত?

তাদের দাবি, বিষয়টি প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা