মো. কামরুল হোসেন সুমন, মনপুরা প্রতিনিধি:
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ১ নং মনপুরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক মো. মোরশেদ উদ্দিন। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও সামাজিক সম্পৃক্ততা, শিক্ষাক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্কের কারণে তিনি স্থানীয়ভাবে পরিচিত মুখ হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন।
শিক্ষাজীবন থেকেই মনপুরার মানুষের কাছে মেধাবী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত মো. মোরশেদ উদ্দিন। রাজধানী ঢাকার উত্তরার সৃষ্টি সেন্ট্রাল স্কুল অ্যান্ড কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। বর্তমানে তিনি মনপুরা মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
শিক্ষার প্রসার ও তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ গঠনে তাঁর আগ্রহের কারণে এলাকায় তিনি একজন শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।
রাজনৈতিক জীবনেও রয়েছে তাঁর দীর্ঘ পথচলা। ১৯৯৩ সাল থেকে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত মো. মোরশেদ উদ্দিন ১৯৯৭ সালে থানা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন বলে তাঁর রাজনৈতিক সহযোদ্ধারা জানান।
রাজনীতির পাশাপাশি খেলাধুলার প্রতিও তাঁর বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহ দিয়ে আসছেন। বিভিন্ন বয়স ও শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের যোগাযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, মানুষের সঙ্গে সহজ ও আন্তরিক সম্পর্ক তাঁর অন্যতম শক্তি। দল-মত ও ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে ইউনিয়নের সামগ্রিক উন্নয়ন এবং জনকল্যাণে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।
চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষার প্রসার, তরুণদের খেলাধুলার সুযোগ বৃদ্ধি, নাগরিক সেবা সহজীকরণ এবং ইউনিয়নের সার্বিক অবকাঠামোগত উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়েছেন মো. মোরশেদ উদ্দিন। পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি।
মো. মোরশেদ উদ্দিন বলেন, “মানুষের ভালোবাসা ও আস্থাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে দল-মত, ধর্ম-বর্ণ ও শ্রেণি-পেশার ভেদাভেদ ভুলে ১ নং মনপুরা ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষের জন্য কাজ করতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, একটি উন্নত, আধুনিক, শিক্ষাবান্ধব ও জনবান্ধব ইউনিয়ন গড়ে তোলাই তাঁর লক্ষ্য।
এ লক্ষ্যে তিনি মনপুরার সর্বস্তরের মানুষের দোয়া, ভালোবাসা, আস্থা ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।


