ঢাকাবুধবার , ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. আইন আদালত
  2. আইনশৃঙ্খলা
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস ঐতিহ্য
  5. ইসলামী জীবন
  6. খেলাধুলা
  7. জাতীয়
  8. তথ্যপ্রযুক্তি
  9. রাজনীতি
  10. লাইফ স্টাইল
  11. শিক্ষাঙ্গন
  12. সারাদেশ
  13. সাহিত্য
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, নোয়াখালীতে দুই শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত

অনলাইন ডেস্ক
সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬ ৯:১০ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও এক সহকারী শিক্ষিকাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নোয়াখালী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) ইশরাত নাসিমা হাবীব। এর আগে গত রোববার পৃথক দুটি আদেশে ওই দুই শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

সাময়িক বরখাস্ত হওয়া শিক্ষকরা হলেন—বেগমগঞ্জ উপজেলার মীরওয়ারিশপুর ইউনিয়নের ভোলা বাদশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এবিএম সাইফুল ইসলাম এবং একই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা জেসমিন আক্তার।

বরখাস্তের আদেশে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্তদের নৈতিক স্খলন ও তাদের অশালীন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ায় প্রাথমিক শিক্ষার ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের অভিযোগে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৩৯(১) ধারা অনুযায়ী তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তকালীন বিধি মোতাবেক তারা খোরপোশ ভাতা প্রাপ্য হবেন।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালে ওই দুই শিক্ষকের অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি জানাজানি হলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে তদন্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাদের নিজ কর্মস্থল ভোলা বাদশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে অন্যত্র সংযুক্তি দেওয়া হয়।

এর মধ্যে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এবিএম সাইফুল ইসলামকে দূরবর্তী বালুচরা সমাজকল্যাণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এবং সহকারী শিক্ষিকা জেসমিন আক্তারকে ডহরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়। তবে কাগজপত্রে তাদের মূল কর্মস্থল হিসেবে ভোলা বাদশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম উল্লেখ রয়েছে।

২০২৬ সালের আগস্টের শেষ দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের একটি আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। এরপর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস তাদের বিরুদ্ধে সাময়িক বরখাস্তের ব্যবস্থা নেয়। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে একটি বিভাগীয় মামলাও করা হয়েছে, যা বর্তমানে চলমান রয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ধারণ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, বিদ্যালয় চলাকালে বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে অবস্থানকালে ভিডিওটি ধারণ করা হয়।

এ বিষয়ে নোয়াখালী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) ইশরাত নাসিমা হাবীব বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় এবং বিষয়টি প্রাথমিক শিক্ষার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করায় সরকারি চাকরি আইন অনুযায়ী ওই দুই শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলাও চলমান রয়েছে।