ঢাকাMonday , 10 August 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইসলাম
  5. খেলাধেুলা
  6. চাকরি
  7. জাতীয়
  8. প্রযুক্তি
  9. বিনোদন
  10. রাজনীতি
  11. লাইফস্টাইল
  12. শিক্ষাঙ্গণ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সিংগাইরে বিলের হিসাবে ৬৮ হাজার টাকার অসংগতি, সরকারি কোষাগারে ফেরত

Link Copied!

সিংগাইর, মানিকগঞ্জ:

মানিকগঞ্জের সিংগাইর পৌরসভায় বার্ষিক হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণের জরিপকাজের বিল পরিশোধে ৬৮ হাজার টাকা অতিরিক্ত উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসার পর ওই টাকা পৌরসভার রাজস্ব কোষাগারে ফেরত জমা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে পৌর প্রশাসন।

পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সিংগাইর পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে নতুন স্থাপনার তালিকা তৈরি ও বার্ষিক হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণের লক্ষ্যে জরিপ পরিচালনা করা হয়। এ কাজে পৌরসভার প্রায় ২০ থেকে ২২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী এক মাস মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেন। দায়িত্ব পালনকারীদের প্রত্যেককে দৈনিক ৫০০ টাকা হারে পারিশ্রমিক দেওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল।

অভিযোগ রয়েছে, জরিপকাজের বিল প্রস্তুত ও অনুমোদনের সময় প্রকৃত পাওনার চেয়ে অতিরিক্ত ৬৮ হাজার টাকা বিল করা হয়। পরে ওই অর্থ পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা ইরানী আক্তার ও কর নির্ধারক মো. সোলায়মান সিদ্দিকীর মধ্যে ভাগ-বাঁটোয়ারা হয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে।

বিষয়টি সিংগাইর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌরসভার প্রশাসক খায়রুন্নাহার (পপি) জানতে পারেন। এরপর তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখার উদ্যোগ নেন। সংশ্লিষ্টদের কাছে বিলের হিসাব সম্পর্কে জানতে চাইলে অতিরিক্ত ৬৮ হাজার টাকা বিল করার বিষয়টি স্বীকার করা হয় বলে জানা গেছে।

পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসকের নির্দেশে গত ৪ আগস্ট অতিরিক্ত উত্তোলন করা ৬৮ হাজার টাকা পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত হিসাবরক্ষক মকুল মিয়ার মাধ্যমে রাজস্ব কোষাগারে জমা দেওয়া হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, সরকারি অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হিসাবের ভুল বা অনিয়মের কারণে সরকারি অর্থ অতিরিক্ত পরিশোধ হয়ে থাকলে বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

অভিযোগের বিষয়ে সিংগাইর পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা ইরানী আক্তার ও কর নির্ধারক মো. সোলায়মান সিদ্দিকীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সিংগাইর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌরসভার প্রশাসক খায়রুন্নাহার (পপি) বলেন, বিলের হিসাবে ৬৮ হাজার টাকার অসংগতি পাওয়া যায়। বিষয়টি জানার পর ওই টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে পৌর কর্মকর্তা ইরানী আক্তার ও কর নির্ধারক সোলায়মান সিদ্দিকী টাকা পৌরসভার রাজস্ব কোষাগারে জমা দেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Share with